গুগল এডসেন্স থেকে সহজে আয় করুন কোন কাজ না করেই, এমনকি জেলখানায় থেকেও আয় করতে পারবেন! ( তবে মেধা থাকতে হবে)
গুগল এডসেন্স থেকে খুব সহজে শুধুমাত্র কিছু আর্টিকেল লিখে আয় করতে
পারবেন। আর আপনার আয় হতেই থাকবে।।। তবে এডসেন্স একাউন্ট এখন সোনার
হরিণ ! টাকা দিয়েও কিনতে পাবেন না । নিজের ওয়েব সাইট না থাকলেও সমস্যা
নাই। এজন্যে গুগল আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে www.blogger.com নিয়ে।
সম্পূর্ন ফ্রীতে পাবেন গুগলের সকল ওয়েব পন্য। যদি সাব ডোমাইন না নিতে
চান, তবে মাত্র ৮ থেকে ১০ ডলার দিয়ে নিজের ডোমেইন কিনতে পারবেন ঢাকা
থেকেই। আর এখানে ব্লগ ডিজাইন করা খুব সহজ। তার পর আপনার ব্লগের সিইও এর
কাজ করুন এবং গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস দিয়ে সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব
করে তুলুন। এখন সাইটে ভিজিটর আনুন? কোথা থেকে আনবেন? হ্যা শুধু মাত্র
গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আনার চিন্তা করুন। কোন বাংলা ফোরাম বা পিটিসি
জাতীয় সাইট থেকে আনার চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিন। কমপক্ষে প্রতিদিন ৫০০
পেজ ভিউ না হলে এডসেন্স থেকে বেশি আয় করতে পারবেন না। এবার পালা
এডসেন্সের... বেশি কষ্ট করতে হবেনা। চলে যান www.google.com/adsense এই
ঠিকানায় এবং সাইন আপ করুন। ব্যস এবার আপনি বাতিল গুগল এডসেন্স একাউন্ট
থেকে। ওরা আপনাকে দিল না। কারন এশিয়ার দেশ গুলোকে সহজে দিতে চায় না।

গুগল আপনাকে মাসে মাসে কোন টাকা দিবে না, কারন গুগল আপনাকে চাকরি দেয়নি। আপনার ব্লগের মাধ্যমে যদি গুগলের কোন ইনকাম না হয়, গুগল কেন আপনাকে টাকা দিবে?
এডসেন্স এর টাকার পরিমান নির্ভর করে ব্লগের ভিজিটর এর উপর। আপনার যদি প্রচুর ভিজিটর থাকে তাহলে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন অন্যথায় পারবেন না। গুগল আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন অর্থাৎ অন্য ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক প্রদর্শন করাবে, এখন আপনার ব্লগের ভিজিটর যদি সেই লিঙ্কে ক্লিক করে বিজ্ঞাপন দাতার ওয়েবসাইটে যায় তাহলেই আপনি টাকা পাবেন।
চেক আসতে নরমালি পোস্ট-অফিসের মাধ্যমে আনলে ২০-২৫ দিন সময় নেয়। এর আপনি যদি DHL কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আনেন তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যেই পেয়ে যাবেন (এক্ষেত্রে ৩০ ডলার কেটে নেয়া হবে)। চেক হাতে পাওয়ার পর চেকটি যে কোন ব্যাঙ্কে জমা দিলেই আপনার একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। টাকা জমা হতেও কিছুদিন সময় লাগে।
তাই নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে “কিভাবে গুগল এডসেন্স এর অর্থ উত্তোলন করবেন ?” শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলাম । সেখানে আমি ধারাবাহিক ভাবে উল্লেখ করেছিলাম কিভাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্টের সাথে ।
আজকের এই অর্থ উত্তোলনের স্টেটমেন্ট দেখে বিষয়টি পরিস্কারভাবে বুঝতে পারবেন পূর্বের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ছিল। নিচের চিত্রে লক্ষ্য করুন গুগল ব্যাংক ওয়ার ট্র্যান্সফার এর মাধ্যমে ২২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে ২৩৯.৬৭ ডলার আমার ব্র্যাক ব্যাংক এর একাউন্টে প্রেরন করে ।

কিন্তু ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে আমার একাউন্টে জমা হয় ২১৪.৮৭ ডলার বাংলাদেশি টাকায় ১৬৫৮৭.৯৬ টাকা । পরবর্তীতে আমি ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিটেন্স বিভাগে যোগাযোগ করি ২৩৯ ডলার এর বিপরিতে আমি কেন ২১৪ পেলাম ব্যাংক এর রেমিটেন্স বিভাগ আমাকে এসম্পর্কে কোন যুক্তিসঙ্গত তথ্য দিতে পারেনি । অতঃপর গুগলের সাপোর্ট ডেস্কএ আমি যোগাযোগ করি তারা বলেছে গুগল অর্থ প্রদানের জন্য কোন ধরনের ফি গ্রহন করে না আপনি আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন। ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর একটি চিত্র নিম্নে যুক্ত করলামঃ-
নিম্নের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ২৬ জানুয়ারির তারিখে লক্ষ্য করুন গুগল এশিয়া থেকে অর্থ ডিপোজিট হয়েছে ।

তবে আমি যতটুকু জানি সুইফট কোড এর মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য ব্যাংক ২৫ ডলার ফি গ্রহন করে থাকে কারন ইতিপূর্বে আমি কানাডায় অবস্থানরত ক্লাইন্টের কাছ থেকে সুইফট এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহন করেছিলাম সেখানে ব্যাংক চার্জ কেটেছিল ২৫ ডলার ।
যাই হোক ব্যাংক ট্র্যান্সফারের মাধ্যমে চেক ভাঙ্গানোর জটিলতার অবসান হয়েছে এখন থেকে সহজেই আমরা গুগলের পেমেন্ট ব্যাংকে গ্রহন করতে পারছি । আর হা এই পদ্ধতিটি ব্যাংক ম্যানুয়ালি করে থাকে বলে ২-৩ ব্যাবসাইক দিন সময় নিয়ে থাকে ।
পরিশেষে, আমার পাঠকরা উপকৃত হবে বলেই আমি পেমেন্ট সংক্রান্ত এই নিবন্ধটি প্রকাশ করলাম । আপনার যদি আমার ব্লগটি ভাল লেগে থাকে তবে সামাজিক যোগাযোগের সাইটে শেয়ার করতে ভুলবেন না । ভাল থাকবেন সবাই ।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
এসংক্রান্ত আপনি যদি কোনোরূপ সমস্যায় পড়েন বা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তবে মন্তব্য জমা দিতে ভুলবেন না । আমি চেস্টা করবো আপনাকে ব্যাক্তিগতভাবে সহায়তা করার । ধন্যবাদ সবাইকে।
আপনি
যদি একজন নতুন গুগল এডসেন্স প্রকাশক হন তবে আপনাকে বেশ কিছু বিষয় সম্পর্কে
অবগত থাকতে হবে যা কখনোই করা যাবেনা। কারন নতুন অধিকাংশ প্রকাশকের গুগল
এডসেন্স একাউন্ট বাতিল হয় শুধুমাত্র এই কয়েকটি বিষয়ের উপরে ভাল ধারনা না
থাকার জন্য।
গুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ তাদের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে খুবই কঠোর আপনি যদি কোন কারনে তাদের নিয়ম ভঙ্গ করেন তবে এডসেন্স যেকোনো সময় আপনার একাউন্ট বাতিল করতে পারে । মনে রাখবেন একবার এডসেন্স বাতিল হয়ে গেলে আপনি খুব বিপদে পড়বেন তাই এই নিবন্ধটি ভালভাবে পড়ুন।
নিম্নে আমি নতুন প্রকাশকদের জন্য সহায়ক একটি তালিকা প্রনয়ন করেছি যা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে এবং কোন প্রকাশক যদি তা করে তবে তাকে সতর্ক করে দিতে হবে এর মাধ্যমে নতুন গুগল এডসেন্স প্রকাশকরা উপকৃত হবে বলে আশা করি।
১, কখনোই নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না
অনেকেই না বুঝে নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে এতেকরে গুগল এডসেন্স সহজেই সেই প্রতারনা কারিকে ধরে ফেলে এবং তার একাউন্ট বাতিল করে দেয়। গুগল এডসেন্স জিওগ্রাফিক্যাল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে সহজেই ডিটেক্ট করতে পারে বিজ্ঞাপনে ক্লিককারীর অবস্থান । এ সম্পর্কে অর্থাৎ গুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ বা টিম কিভাবে ট্র্যেকিং করে সে বিষয়ে আগামীতে একটি এডভাঞ্চড নিবন্ধ প্রকাশ করবো । তো যাই হোক এটি কখনোই করা যাবে না ।
২, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য অন্যকে অনুপ্রানিত করা
আপনি হয়ত ভাবছেন নিজের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করতে পারবোনা তো কি হয়েছে আমার বন্ধু বান্ধবকে আমার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে বলবো। মনে রাখবেন গুগল খুব সহজেই আপনার এই প্রতারনাকে ধরে ফেলবে। অন্যকে কিল্ক করতে বলা বা নিজের বিজ্ঞাপনে নিজেই ক্লিক করা ব্যাক্তিদের একাউন্ট একবার বাতিল হয়ে গেলে তারা আর তাদের একাউন্ট সচল করতে পারবেন না। এক কথায় স্থায়ীভাবে বাতিল।
৩, কখনো নিজের বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন করবেননা
গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে কখনোই পরিবর্তন করার চেস্টা করবেননা । যদি আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন অথবা সংযোজন করে প্রকাশ করেন এবং গুগল তা ধরতে পারে তবে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। তবে আপনি গুগল এডসেন্স একাউন্টের ভিতর থেকে বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন করতে পারবেন সহজেই এতে কোন সমস্যা নেই।
৪, কখনো ছবির নিচে বিজ্ঞাপন দেবেন নাঃ
গুগল কিন্তু ছবি পড়তে পারেনা তাই অনেকেই পূর্বে এক ধরনের ট্রিক্স ব্যাবহার করত যেমন ছবিতে লিখত নিম্নের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করুন জাতীয় শব্দ। অথবা ছবি এবং বিজ্ঞাপন এমন ভাবে যুক্ত করা হত যাতে পাঠক বুঝতেই পারতনা কোনটি বিজ্ঞাপন আর কোনটি ছবি। তাই গুগল বাধ্য হয়ে তাদের ব্যাবহারের নীতিমালার পরিবর্তন করে । ভুলেও কখনো বিজ্ঞাপনকে ছবির সঙ্গে বা নিচে যুক্ত করে প্রকাশ করবেন না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
৫, অসমর্থিত ভাষায় এডসেন্স যুক্ত করা যাবে না
গুগল এডসেন্স শুধুমাত্র গুটিকয়েক ভাষা সমর্থন করে এর বাহিরের কোন ভাষায় যদি আপনি ব্লগ পরিচালনা করেন তবে কখনোই তাতে গুগল এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবে না। গুগল এডসেন্স যে ভাষাগুলো সমর্থন করে তার তালিকা দেখতে এই লিংকটি অনুসরন করুন ।
৬, অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা
তথ্য সম্ব্রিদ্ধ্য ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পাতার জন্য জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা যেতে পারে অর্থাৎ আপনি আপনার একটি পাতার জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করতে পারবেন এর অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
৭, আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন খারাপ সাইটে যুক্ত করলে
গুগল এডসেন্স থেকে শুরু করে প্রায় অধিকাংশ সংস্থা পর্ণো রোধে পর্ণো সাইটগুলোতে বিজ্ঞাপন সমর্থন করে না । তাই আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন পর্ণ সাইটে যুক্ত করবেন না । এছাড়াও জুয়া, পোকার ইত্যাদি কোন সাইটেও বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা।
৮, কপিরাইট উপাদানে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা
আপনার ব্লগটি যদি অন্যের কপি করা নিবন্ধে পরিপূর্ণ থাকে তবে কখনোই সেই কপিরাইট যুক্ত পাতা গুলোতে বিজ্ঞাপন দেবেননা কারন এডসেন্স কপিরাইট যুক্ত নিবন্ধ পছন্দ করে না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হবার সম্ভাবনা থাকে।
৯, ক্রয় করা ভিজিটরঃ
বিভিন্ন বাক্স বা এ জাতীয় সাইট থেকে ট্র্যাফিক কেনা যাবেনা। বাক্স সাইটে মাত্র ২-৫ ডলার ব্যয় করলেই এক হাজার ট্র্যাফিক পাওয়া যায় কিন্তু মনে রাখবেন এই ভিজিটরগুলো কিন্তু আপনার ব্লগের জন্য কোন উপকারে আসবেনা বরঞ্চ হাজার হাজার ট্র্যাফিকের জঞ্জালে আপনার সাইটের গতি শ্লথ হয়ে যাবে এবং এদসেন্স আপনার একাউন্ট বাতিল করবে। এধরনের ট্র্যাফিক নিয়ে অনেকেই দিনে ১০০ ডলার পূর্বে আয় করেছে আবার অনেকের একাউন্ট বাতিল হয়ে গিয়েছে কিন্তু বর্তমানে গুগল এই বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছে তাই এরকম কিছু করার আগে সচেতন থাকুন।
১০, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়
যেকোনো হিংস্র বা ভয়ঙ্কর এমন কিছু, হ্যাকিং বা ক্র্যাকিং, ক্যাসিনো, মাদক দ্রব্য জাতীয় যেমন বিয়ার বা অ্যালকোহল জাতীয় কিছু, আগ্নেয়াস্ত জাতীয় এমন কিছু ব্লগে বা ওয়েবসাইটে গুগলের এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবেনা।
পরিশেষে, সৎ থাকুন নিজের সাইটের মান উন্নয়নে কাজ করুন আপনাকে আয়ের চিন্তা করতে হবেনা বা একাউন্ট হারানোর ভয় করতে হবেনা । সৎভাবে ব্লগিং করুন সফলতা আপনার দ্বারপ্রান্তে । নিবন্ধটি পড়ে যদি আপনার মনে কোন প্রশ্ন জাগে বা আপনার কোন অংশে সমস্যা মনে হয় তবে সংকোচ না করে নিম্নে মন্তব্যের ঘরে জমা দিন আমি প্রতিটি মন্তব্য খুব ভালভাবে পড়ি এবং সাধ্যমত জবাব দেওয়ার চেস্টা করি।
লিখেছেনঃ মোজাম্মেল হক (তারিখঃ সোমবার, ২৫/০৪/২০১১ - ১২:০২)
ব্লগার ভাই ও বোনেরা, আশা করি ভালই আছেন। আজ অনেক দিন পর ব্লগে আসলাম। যাই
হোক, আমার জানামতে অনেরই নিজস্ব ব্লগ আছে। এবং প্রতিবছর ডোমেইন হোস্টিং
বাবদ কিছু খরচও করতে হয়, আর কস্ট করে ব্লগ লেখা ও ইন্টারনেট বিলের কথা তো
বাদই দিলাম। কিন্তু ব্লগথেকে কোন আয় আসে না। কারন গুগল এডসেন্স বাংলাদেশে
তাদের একাউন্ট দেওয়া প্রায় বন্ধ করে দিয়েছে। অনেক ভাল সাইট হলেও এডসেন্সে
একাউন্ট এখন আর পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে আমরা গাধার মত ঘেটেই যাচ্ছি ব্লগ
লিখে। আমার প্রায় ৫ টির মত ব্লগ আছে, যার জন্য প্রতি বছর ডোমেইন ও হোস্টিং
বাবদ প্রায় ৭ হাজারের ও উপরে খরচ করতে হয়। একটি গুগল এডসেন্স একাউন্টের
জন্য অনেকদিন ধরেই এপ্লাই করে আসছি কিন্তু ৩-৭ দিন পর গুগল মেসেজ দেয় যে
আপনার এই সাইটের জন্য আপাতত এডসেন্স একাউন্ট দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। অবশেষে
আস্থা হারিয়ে ফেল্লাম, একদিন ইন্টারনেটে ঘাটতে ঘাটতে দেখতে পেলাম যে কিছু
পাকিস্তানী ছেলেরা গুগল এডসেন্সের একাউন্ট তৈরী করে দিচ্ছে ১৫-৪০ ডলারের
বিনিময়ে। খুব লোভ হলো। কিন্তু পাকিস্তানীদের কাছথেকে নিতে হবে ভেবে মনে
অনেক খারাপ লাগলো। অবশেষে দেখলাম ভারতীয় ছেলেরাও একই কাজ করছে, তারাও
২৫-৫৫ডলারে বিক্রি করছে। অবশেষে আমি এক ভারতীয় ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করলে
তিনি আমাকে একটি ডোমেইনের বিপরীতে একটি গুগল এডসেন্স একাউন্ট দিতে রাজী হন।
আমি একাউন্ট পাবার ৫ দিনের মাথায় একাউন্টে ৩০ ডলার জমা হয়েছে।
যাইহোক. আমি ব্লগার ভাইদের জন্য একটা সুখবর দিতে চাই, সেটা হলো আমি এখন থেকে গুগল এডসেন্সের একাউন্ট আপনাদের জন্য সরবরাহ করবো। মাত্র ৭০০+১০০=৮০০ টাকায় অথবা একটি ডোমেইনের বিপরীতে। (প্রকৃতপক্ষে ব্লগার ভাইদের উপকারের জন্য)
গুগল এডসেন্সের একাউন্ট নিজের নামে পেতে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আমাকে দিবেন। যখনই দিবেন রাত ২-৩টার ভিতর একাউন্ট চালু হয়ে যাবে। এবং রাত ৩ টার সময় আপনার মেইলে পাসওয়ার্ড সহ একাউন্টের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হবে। অর্থ্যাৎ একদিনের ভিতর একাউন্ট পাবেন।
একাউন্ট পাবার পরবর্তী ২ দিনের ভিতর ৭০০+১০০=৮০০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক এর যেকোন শাখা থেকে আমার একাউন্টে প্রেরণ করতে হবে (কারন আমাকে তিনদিনের ভিতরে ডোমেইন প্রেরন করতে হবে)। যদি টাকা প্রেরনে ব্যর্থ হন, তবে একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। বিস্তারিত জানতে ফোন করুন আমার নাম্বারে: ০১৮২৭-৭৪৩৬৬৬

পারবেন। আর আপনার আয় হতেই থাকবে।।। তবে এডসেন্স একাউন্ট এখন সোনার
হরিণ ! টাকা দিয়েও কিনতে পাবেন না । নিজের ওয়েব সাইট না থাকলেও সমস্যা
নাই। এজন্যে গুগল আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে www.blogger.com নিয়ে।
সম্পূর্ন ফ্রীতে পাবেন গুগলের সকল ওয়েব পন্য। যদি সাব ডোমাইন না নিতে
চান, তবে মাত্র ৮ থেকে ১০ ডলার দিয়ে নিজের ডোমেইন কিনতে পারবেন ঢাকা
থেকেই। আর এখানে ব্লগ ডিজাইন করা খুব সহজ। তার পর আপনার ব্লগের সিইও এর
কাজ করুন এবং গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস দিয়ে সাইট কে সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব
করে তুলুন। এখন সাইটে ভিজিটর আনুন? কোথা থেকে আনবেন? হ্যা শুধু মাত্র
গুগল সার্চ ইঞ্জিন থেকে আনার চিন্তা করুন। কোন বাংলা ফোরাম বা পিটিসি
জাতীয় সাইট থেকে আনার চিন্তা মাথা থেকে বাদ দিন। কমপক্ষে প্রতিদিন ৫০০
পেজ ভিউ না হলে এডসেন্স থেকে বেশি আয় করতে পারবেন না। এবার পালা
এডসেন্সের... বেশি কষ্ট করতে হবেনা। চলে যান www.google.com/adsense এই
ঠিকানায় এবং সাইন আপ করুন। ব্যস এবার আপনি বাতিল গুগল এডসেন্স একাউন্ট
থেকে। ওরা আপনাকে দিল না। কারন এশিয়ার দেশ গুলোকে সহজে দিতে চায় না।
গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানুন (নতুনদের জন্য)
আবার অনেকেই কিছুটা জানেন। যেহেতু আমরা ব্লগ থেকে করার চিন্তা করছি এবং আয়ের উপায়গুলি জানতে চাচ্ছি, সেহেতু ব্লগ থেকে আয়ের প্রধান এবং সবচেয়ে ভালো উপায় গুগল এডসেন্স সম্পর্কে জানতে হবে।গুগল এডসেন্স কি?
আমাদেরকে সবার প্রথমে জানতে হবে যে, গুগল এডসেন্স কি? গুগল এডসেন্স হল সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট গুগলের একটা সার্ভিস। এটার মাধ্যমে গুগল ব্লগারদের ব্লগে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং তার বিনিময়ে ব্লগারদেরকে টাকা দেয়। ব্লগ থেকে ইনকামের এটাই সবচেয়ে বড় এবং বহুল ব্যাবহৃত উপায়।গুগল কেন আমাদেরকে টাকা দেয়?
গুগলের আরেকটা সার্ভিস আছে, যার নাম গুগল এডওয়ার্ড। গুগল এডওয়ার্ড এর মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের কাছ তাদের ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের প্রচারনার চুক্তিতে টাকা নেয়। তারপর এডসেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে গুগল বিভিন্ন ওয়েবসাইট বা ব্লগে টাকা প্রদানকৃত ওয়েবসাইট বা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করায়। এখন গুগল যত টাকা আয় করে তার থেকে ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিকদেরকে ৬৮% পরিমান অর্থ প্রদান করে এবং বাকি ৩২% অর্থ সার্ভিস পরিচালনা ব্যয় হিসেবে গুগল রেখে দেয়।গুগল ওয়েবসাইট বা ব্লগের মালিকদেরকে মাসে কত টাকা দেয়?
কিছুদিন আগে আমাকে একজন প্রশ্ন করেছিল যে, গুগল আপনাকে মাসে কত টাকা দেয়। এরকম ধারণা অনেকেরই আছে যে কষ্ট করে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পেয়ে গেলেই গুগল আমাকে মাসে মাসে টাকা দিবে। যাদের এরকম ধারণা আছে, তারা এবার কথাটা জানুন।গুগল আপনাকে মাসে মাসে কোন টাকা দিবে না, কারন গুগল আপনাকে চাকরি দেয়নি। আপনার ব্লগের মাধ্যমে যদি গুগলের কোন ইনকাম না হয়, গুগল কেন আপনাকে টাকা দিবে?
এডসেন্স এর টাকার পরিমান নির্ভর করে ব্লগের ভিজিটর এর উপর। আপনার যদি প্রচুর ভিজিটর থাকে তাহলে আপনি ভালো আয় করতে পারবেন অন্যথায় পারবেন না। গুগল আপনার সাইটে বিজ্ঞাপন অর্থাৎ অন্য ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক প্রদর্শন করাবে, এখন আপনার ব্লগের ভিজিটর যদি সেই লিঙ্কে ক্লিক করে বিজ্ঞাপন দাতার ওয়েবসাইটে যায় তাহলেই আপনি টাকা পাবেন।
কিভাবে টাকা হাতে পাব?
গুগল ব্লগারদেরকে দুই ভাবে টাকা দেয়। ১. Western Union এবং ২. ব্যাঙ্ক চেক এর মাধ্যমে। দুঃখ জনক হলেও সত্য যে, আমাদের দেশে Western Union এর মাধ্যমে টাকা দেয়া হয় না। ফলে আমাদের টাকা হাতে পেতে দেরি হয়। আপনার একাউন্টে $100 বা তার বেশি জমা হলে প্রত্যেক মাসের ২৩-২৫ তারিখের মধ্যে একটি ব্যাঙ্ক চেক আপনার ঠিকানায় পোস্ট করা হবে।চেক আসতে নরমালি পোস্ট-অফিসের মাধ্যমে আনলে ২০-২৫ দিন সময় নেয়। এর আপনি যদি DHL কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে আনেন তাহলে এক সপ্তাহের মধ্যেই পেয়ে যাবেন (এক্ষেত্রে ৩০ ডলার কেটে নেয়া হবে)। চেক হাতে পাওয়ার পর চেকটি যে কোন ব্যাঙ্কে জমা দিলেই আপনার একাউন্টে টাকা জমা হয়ে যাবে। টাকা জমা হতেও কিছুদিন সময় লাগে।
গুগলের এড ব্লগে বসালেই কি টাকা আসা শুরু হবে?
গুগলের এড ব্লগে বসালেই টাকা আসা শুরু হবে এটা আরেকটা ভুল ধারণা। অনেকেই মনে করেন ব্লগে এড বসালেই টাকা আসা শুরু হবে। আমি নিশ্চিত প্রত্যেক ব্লগারই এই কথা ভাবেন। কিন্তু এডসেন্স একাউন্ট পাবার পরে তারা আসল বিষয়টি বুঝতে পারেন। এটা ভাবা আসলে কোন দোষের কিছু নয়। আমিও একসময় এটাই ভাবতাম, কিন্তু এখন বুঝি যে আসলে এডসেন্স থেকে আয় করা এত সহজ না। এডসেন্স থেকে আয় করতে হলে আপনার প্রয়োজন হবে প্রচুর ট্রাফিক। অনেকেই বলেন যে আমার সাইটে দৈনিক ১০০০-১২০০ ভিজিটর আসে। তাদেরকে বলছি আপনি কি কখনো আপনার সাইটের বাউন্স রেট দেখেছেন? শুধু ভিজিটর আসলেই হবে না, ভিজিটর কে সন্তুষ্টও করতে হবে। একজন ভিজিটর যখন আপনার সাইটে সন্তুষ্ট হওয়ার মত কিছু পাবে, নিশ্চয় তখন কিছু সময় আপনার সাইটে থাকবে। এর যখন একজন ভিজিটর কিছুক্ষণ আপনার সাইটে থাকবে তখন আপনার সাইটে বিজ্ঞাপনের দিকে তার নজর দিবে এবং ক্লিক দিবে। অন্যথায় ভিজিটর এসে যদি আপনার সাইটে কিছু না পায়, তাহলে নিশ্চয় সে আপনার সাইটে থাকবেনা। সাইটে ভিজিটর না থাকলে বিজ্ঞাপনে ক্লিক পরার কোন সম্ভাবনা নেই। এর বিজ্ঞাপনে ক্লিক না পরলে টাকা আয়ের প্রশ্নই আসে না। এখন বলুন গুগলের এড ব্লগে বসালেই কি টাকা আসা শুরু হবে?কিভাবে বুঝব আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা?
ব্লগিং স্কুলের ফেসবুক গ্রুপে অনেকেই প্রশ্ন করেছেন যে, কিভাবে বুঝব আমার সাইট এডসেন্স উপযোগী কিনা? নিজের ব্লগটিকে এডমিন হিসেবে না দেখে ভিজিটর হিসেবে দেখুন। আমি নিশ্চিত আপনার প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাবেন। তারপরেও যদি বুঝতে না পারেন যে, আমার সাইটে কোন সমস্যা আছে কিনা। তাহলে সোজা গিয়ে এডসেন্স এ এপ্লাই করুন। আপনার সাইট ভালো হলে গুগল আপনাকে এডসেন্স দিয়ে দিবে অথবা কি সমস্যা আছে সেটা বলে দিবে। আমিও কিন্তু এভাবেই এডসেন্স পেয়েছিলাম। যাই হোক, ভালো মানের কন্টেন্ট লিখুন অবশ্যই এডসেন্স পাবেন। গুগল শুধুমাত্র কন্টেন্টই দেখে, ডিজাইনটা দেখে না। অনেকেই বলে যে, ভাই আমার সাইটের ডিজাইনটা দেখেন। আরে ভাই, ভিজিটর এসে কি বসে বসে আপনার ডিজাইন দেখবে? ডিজাইন এর পিছনে সময় নষ্ট না করে প্রচুর এবং ভালো কুয়ালিটির আর্টিকেল লিখুন।এডসেন্স একাউন্ট এপ্রুভ হওয়ার প্রধান শর্ত সমুহঃ
- অবশ্যই ১০-১২ ভালো কুয়ালিটির আরটিকেল থাকতে হবে।
- অন্য কোন কোম্পানির এড থাকা যাবে না।
- পপ-আপ উইন্ডো যেমনঃ ফেসবুক লাইক বক্স থাকা যাবে না।
- কপি-পেস্ট কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
- কপিরাইট আইন ভঙ্গ করে এমন কিছু রাখা যাবে না।
- এডাল্ট, হ্যাকিং, কোন জাতি বা গোষ্ঠীকে নিয়ে ব্যাঙ্গ করা হয়েছে এমন কোন কন্টেন্ট থাকা যাবে না।
- অনেকে বলেন ভালো ভিজিটর থাকতে হবে। আমি বলি না, কোন ভিজিটরের প্রয়োজন নেই (সম্পূর্ণ আমার মতামত)।
- গুগল সমর্থন করে না এমন কোন ভাষার কন্টেন্ট থাকা যাবে না। (যেমনঃ বাংলা ভাষা গুগপ্ল সমর্থন করে না)
- টপ লেভেল ডোমেইন হতে হবে। অর্থাৎ সাব-ডোমেইন হলে একাউন্ট এপ্রুভ হবে না। (তবে ব্লগস্পট এর বিষয়টা আলাদা)
ব্যাংক থেকে উত্তোলন করলাম গুগল এডসেন্স পেমেন্ট
এডসেন্স ট্যাগসমুহ: এডসেন্স, এডসেন্স এর চেক, এডসেন্স টিপস, গুগল এডসেন্স, গুগল এডসেন্স অপ্টিমাইজেশন গত জানুয়ারি মাসে আমি আপনাদের জানিয়েছিলাম গুগল এর নতুন পেমেন্ট সিস্টেম সম্পর্কে । বাংলাদেশি প্রকাশকদের দ্রুত অর্থ উত্তোলনের সুবিধা প্রদান করার জন্য গুগল গত মাসে অর্থাৎ জানুয়ারি ২০১৪ থেকে ব্যাংক পেমেন্ট সুবিধা চালু করেছে ।তাই নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি নিয়ে “কিভাবে গুগল এডসেন্স এর অর্থ উত্তোলন করবেন ?” শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করেছিলাম । সেখানে আমি ধারাবাহিক ভাবে উল্লেখ করেছিলাম কিভাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট যুক্ত করতে পারবেন আপনার গুগল এডসেন্স একাউন্টের সাথে ।
আজকের এই অর্থ উত্তোলনের স্টেটমেন্ট দেখে বিষয়টি পরিস্কারভাবে বুঝতে পারবেন পূর্বের প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে সঠিক ছিল। নিচের চিত্রে লক্ষ্য করুন গুগল ব্যাংক ওয়ার ট্র্যান্সফার এর মাধ্যমে ২২ জানুয়ারি ২০১৪ তারিখে ২৩৯.৬৭ ডলার আমার ব্র্যাক ব্যাংক এর একাউন্টে প্রেরন করে ।
কিন্তু ২৬ জানুয়ারি ২০১৩ তারিখে আমার একাউন্টে জমা হয় ২১৪.৮৭ ডলার বাংলাদেশি টাকায় ১৬৫৮৭.৯৬ টাকা । পরবর্তীতে আমি ব্র্যাক ব্যাংকের রেমিটেন্স বিভাগে যোগাযোগ করি ২৩৯ ডলার এর বিপরিতে আমি কেন ২১৪ পেলাম ব্যাংক এর রেমিটেন্স বিভাগ আমাকে এসম্পর্কে কোন যুক্তিসঙ্গত তথ্য দিতে পারেনি । অতঃপর গুগলের সাপোর্ট ডেস্কএ আমি যোগাযোগ করি তারা বলেছে গুগল অর্থ প্রদানের জন্য কোন ধরনের ফি গ্রহন করে না আপনি আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন। ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর একটি চিত্র নিম্নে যুক্ত করলামঃ-
নিম্নের ব্যাংক স্টেটমেন্ট এর ২৬ জানুয়ারির তারিখে লক্ষ্য করুন গুগল এশিয়া থেকে অর্থ ডিপোজিট হয়েছে ।
তবে আমি যতটুকু জানি সুইফট কোড এর মাধ্যমে অর্থ প্রদানের জন্য ব্যাংক ২৫ ডলার ফি গ্রহন করে থাকে কারন ইতিপূর্বে আমি কানাডায় অবস্থানরত ক্লাইন্টের কাছ থেকে সুইফট এর মাধ্যমে অর্থ গ্রহন করেছিলাম সেখানে ব্যাংক চার্জ কেটেছিল ২৫ ডলার ।
যাই হোক ব্যাংক ট্র্যান্সফারের মাধ্যমে চেক ভাঙ্গানোর জটিলতার অবসান হয়েছে এখন থেকে সহজেই আমরা গুগলের পেমেন্ট ব্যাংকে গ্রহন করতে পারছি । আর হা এই পদ্ধতিটি ব্যাংক ম্যানুয়ালি করে থাকে বলে ২-৩ ব্যাবসাইক দিন সময় নিয়ে থাকে ।
পরিশেষে, আমার পাঠকরা উপকৃত হবে বলেই আমি পেমেন্ট সংক্রান্ত এই নিবন্ধটি প্রকাশ করলাম । আপনার যদি আমার ব্লগটি ভাল লেগে থাকে তবে সামাজিক যোগাযোগের সাইটে শেয়ার করতে ভুলবেন না । ভাল থাকবেন সবাই ।
বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ
এসংক্রান্ত আপনি যদি কোনোরূপ সমস্যায় পড়েন বা প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন তবে মন্তব্য জমা দিতে ভুলবেন না । আমি চেস্টা করবো আপনাকে ব্যাক্তিগতভাবে সহায়তা করার । ধন্যবাদ সবাইকে।
গুগল এডসেন্স প্রকাশকদের জন্য ১০ টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা কখনো করা যাবেনা
এডসেন্স, গুগল, টিপস ট্যাগসমুহ: একাউন্ট বাতিলের কারন, এডসেন্স, এডসেন্স টিপস, এডসেন্স প্রকাশক, এডসেন্স প্রকাশকরা বিরত থাকুন, এডসেন্স বাতিল, এডসেন্স ব্যান, এডসেন্স সত্কতা, গুগল এডসেন্স, গুগল এডসেন্স একাউন্ট বাতিল, বিজ্ঞাপনগুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ তাদের নিয়ম কানুনের ব্যাপারে খুবই কঠোর আপনি যদি কোন কারনে তাদের নিয়ম ভঙ্গ করেন তবে এডসেন্স যেকোনো সময় আপনার একাউন্ট বাতিল করতে পারে । মনে রাখবেন একবার এডসেন্স বাতিল হয়ে গেলে আপনি খুব বিপদে পড়বেন তাই এই নিবন্ধটি ভালভাবে পড়ুন।
নিম্নে আমি নতুন প্রকাশকদের জন্য সহায়ক একটি তালিকা প্রনয়ন করেছি যা করা থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে এবং কোন প্রকাশক যদি তা করে তবে তাকে সতর্ক করে দিতে হবে এর মাধ্যমে নতুন গুগল এডসেন্স প্রকাশকরা উপকৃত হবে বলে আশা করি।
১, কখনোই নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করবেন না
অনেকেই না বুঝে নিজের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করে এতেকরে গুগল এডসেন্স সহজেই সেই প্রতারনা কারিকে ধরে ফেলে এবং তার একাউন্ট বাতিল করে দেয়। গুগল এডসেন্স জিওগ্রাফিক্যাল ট্র্যাকিং এর মাধ্যমে সহজেই ডিটেক্ট করতে পারে বিজ্ঞাপনে ক্লিককারীর অবস্থান । এ সম্পর্কে অর্থাৎ গুগল এডসেন্স কত্রিপক্ষ বা টিম কিভাবে ট্র্যেকিং করে সে বিষয়ে আগামীতে একটি এডভাঞ্চড নিবন্ধ প্রকাশ করবো । তো যাই হোক এটি কখনোই করা যাবে না ।
২, বিজ্ঞাপনে ক্লিক করার জন্য অন্যকে অনুপ্রানিত করা
আপনি হয়ত ভাবছেন নিজের বিজ্ঞাপনে নিজে ক্লিক করতে পারবোনা তো কি হয়েছে আমার বন্ধু বান্ধবকে আমার বিজ্ঞাপনে ক্লিক করতে বলবো। মনে রাখবেন গুগল খুব সহজেই আপনার এই প্রতারনাকে ধরে ফেলবে। অন্যকে কিল্ক করতে বলা বা নিজের বিজ্ঞাপনে নিজেই ক্লিক করা ব্যাক্তিদের একাউন্ট একবার বাতিল হয়ে গেলে তারা আর তাদের একাউন্ট সচল করতে পারবেন না। এক কথায় স্থায়ীভাবে বাতিল।
৩, কখনো নিজের বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন করবেননা
গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে কখনোই পরিবর্তন করার চেস্টা করবেননা । যদি আপনি গুগল এডসেন্স এর বিজ্ঞাপন কোডকে পরিবর্তন অথবা সংযোজন করে প্রকাশ করেন এবং গুগল তা ধরতে পারে তবে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। তবে আপনি গুগল এডসেন্স একাউন্টের ভিতর থেকে বিজ্ঞাপনের পরিবর্তন করতে পারবেন সহজেই এতে কোন সমস্যা নেই।
৪, কখনো ছবির নিচে বিজ্ঞাপন দেবেন নাঃ
গুগল কিন্তু ছবি পড়তে পারেনা তাই অনেকেই পূর্বে এক ধরনের ট্রিক্স ব্যাবহার করত যেমন ছবিতে লিখত নিম্নের বিজ্ঞাপনে ক্লিক করুন জাতীয় শব্দ। অথবা ছবি এবং বিজ্ঞাপন এমন ভাবে যুক্ত করা হত যাতে পাঠক বুঝতেই পারতনা কোনটি বিজ্ঞাপন আর কোনটি ছবি। তাই গুগল বাধ্য হয়ে তাদের ব্যাবহারের নীতিমালার পরিবর্তন করে । ভুলেও কখনো বিজ্ঞাপনকে ছবির সঙ্গে বা নিচে যুক্ত করে প্রকাশ করবেন না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
৫, অসমর্থিত ভাষায় এডসেন্স যুক্ত করা যাবে না
গুগল এডসেন্স শুধুমাত্র গুটিকয়েক ভাষা সমর্থন করে এর বাহিরের কোন ভাষায় যদি আপনি ব্লগ পরিচালনা করেন তবে কখনোই তাতে গুগল এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবে না। গুগল এডসেন্স যে ভাষাগুলো সমর্থন করে তার তালিকা দেখতে এই লিংকটি অনুসরন করুন ।
৬, অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা
তথ্য সম্ব্রিদ্ধ্য ব্লগ বা ওয়েবসাইটের পাতার জন্য জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করা যেতে পারে অর্থাৎ আপনি আপনার একটি পাতার জন্য সর্বোচ্চ তিনটি বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করতে পারবেন এর অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন ইউনিট ব্যাবহার করলে আপনার একাউন্ট বাতিল হয়ে যেতে পারে।
৭, আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন খারাপ সাইটে যুক্ত করলে
গুগল এডসেন্স থেকে শুরু করে প্রায় অধিকাংশ সংস্থা পর্ণো রোধে পর্ণো সাইটগুলোতে বিজ্ঞাপন সমর্থন করে না । তাই আপনার বিজ্ঞাপন কোডকে কোন পর্ণ সাইটে যুক্ত করবেন না । এছাড়াও জুয়া, পোকার ইত্যাদি কোন সাইটেও বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা।
৮, কপিরাইট উপাদানে বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবেনা
আপনার ব্লগটি যদি অন্যের কপি করা নিবন্ধে পরিপূর্ণ থাকে তবে কখনোই সেই কপিরাইট যুক্ত পাতা গুলোতে বিজ্ঞাপন দেবেননা কারন এডসেন্স কপিরাইট যুক্ত নিবন্ধ পছন্দ করে না এতে করে আপনার একাউন্ট বাতিল হবার সম্ভাবনা থাকে।
৯, ক্রয় করা ভিজিটরঃ
বিভিন্ন বাক্স বা এ জাতীয় সাইট থেকে ট্র্যাফিক কেনা যাবেনা। বাক্স সাইটে মাত্র ২-৫ ডলার ব্যয় করলেই এক হাজার ট্র্যাফিক পাওয়া যায় কিন্তু মনে রাখবেন এই ভিজিটরগুলো কিন্তু আপনার ব্লগের জন্য কোন উপকারে আসবেনা বরঞ্চ হাজার হাজার ট্র্যাফিকের জঞ্জালে আপনার সাইটের গতি শ্লথ হয়ে যাবে এবং এদসেন্স আপনার একাউন্ট বাতিল করবে। এধরনের ট্র্যাফিক নিয়ে অনেকেই দিনে ১০০ ডলার পূর্বে আয় করেছে আবার অনেকের একাউন্ট বাতিল হয়ে গিয়েছে কিন্তু বর্তমানে গুগল এই বিষয়টি খুব গুরুত্বসহকারে নিয়েছে তাই এরকম কিছু করার আগে সচেতন থাকুন।
১০, অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়
যেকোনো হিংস্র বা ভয়ঙ্কর এমন কিছু, হ্যাকিং বা ক্র্যাকিং, ক্যাসিনো, মাদক দ্রব্য জাতীয় যেমন বিয়ার বা অ্যালকোহল জাতীয় কিছু, আগ্নেয়াস্ত জাতীয় এমন কিছু ব্লগে বা ওয়েবসাইটে গুগলের এডসেন্স ব্যাবহার করা যাবেনা।
পরিশেষে, সৎ থাকুন নিজের সাইটের মান উন্নয়নে কাজ করুন আপনাকে আয়ের চিন্তা করতে হবেনা বা একাউন্ট হারানোর ভয় করতে হবেনা । সৎভাবে ব্লগিং করুন সফলতা আপনার দ্বারপ্রান্তে । নিবন্ধটি পড়ে যদি আপনার মনে কোন প্রশ্ন জাগে বা আপনার কোন অংশে সমস্যা মনে হয় তবে সংকোচ না করে নিম্নে মন্তব্যের ঘরে জমা দিন আমি প্রতিটি মন্তব্য খুব ভালভাবে পড়ি এবং সাধ্যমত জবাব দেওয়ার চেস্টা করি।
এডসেন্স একাউন্ট পাচ্ছেন না?? দ্রুত গুগল এডসেন্স একাউন্ট পাওয়ার কিছু কিলার টিপস !
সবাই কেমন আছেন? আজ আমি আপনাদেরকে জানাবো কিভাবে অতি দ্রুত গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট পাবেন। “গুগল এডসেন্স একাউন্ট পাচ্ছি না”, “অনেক অ্যাপ্লাই করেছি তাও হচ্ছে না” এমন কথা প্রতিনিয়তই শুনতে হয়। তখন তাদের কথা শুনে যতুটুকু বুঝতে পারে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ে তারা এমন এমন কিছু ছোট বিষয় বাদ দিয়ে অ্যাপ্লাই করেছে যা না করলে গুগল কখনই এডসেন্স একাউন্ট দেবে না। আজ সেই বিষয় নিয়েই আপনাদের সামনে আলোচনা করবো।যেভাবে গুগল এডসেন্স একাউন্ট পাবেন
গুগল এডসেন্স একাউন্ট পাওয়া কোন কষ্টের কিছু না, আবার কোন জাদু মন্ত্র ও না। তবে তার জন্য আপনাকে সঠিক পদ্ধতিতে ধাপে ধাপে আগাতে হবে। সেক্ষেত্রে এডসেন্স একাউন্ট পাওয়ার সম্ভাবনা খুব বেশি থাকে। নিচে এই বিষয় গুলো ধাপে ধাপে আপনাদের জন্য বর্ণনা করা হলো।ব্যবহার করুন .com, .org, .net, .info ডোমেইন
অনেকেই মনে করেন ফ্রি ডোমেইন দিয়ে গুগল এডসেন্স পাওয়া সম্ভব। কিন্তু দ্রুত এডসেন্স পাওয়ার জন্য টপ-লেভেল ডোমেইন আপনাকে অবশ্যই ব্যবহার করতে হবে। একসময়ে শুধুমাত্র ব্লগস্পট এ সাইট করে আবেদন করলেই এডসেন্স পাওয়া যেতে কিন্তু এখন আর সেটা হয় না। তাই যদি দ্রুত গুগল এডসেন্স একাউন্ট পেতে চান তাহলে টপ লেভেল ডোমেইন হিসাবে .com, .org, .net, .info এক্সটেনশন ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো।CMS হিসাবে WordPress ব্যবহার করুন
আমারা জানি ওয়ার্ডপ্রেস এখন সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি সিএমএস। কারণ হিসাবে ওয়ার্ডপ্রেস এ রয়েছে সহজলভ্যতা, কোডিং ছাড়াই একটি সুন্দর ওয়েবসাইট করার উপায়, সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব সাইট স্ট্রাকচার সহ অনেক কিছু। যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে ওয়েবসাইট বানান তাহলে আপনি অনেক প্লাগিন পাবেন যা দিয়ে সহজেই আপনার ওয়েবসাইটকে সাজাতে পারবেন। তাছাড়া ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেসের কোন তুলনা হয় না। এডসেন্স একাউন্ট পাওয়ার পূর্বশর্ত যেহেতু একটি ভালো এবং সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব ওয়েবসাইট তাই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করলে অনেক ভালো ফলাফল আশা করা যায়।নতুন Gmail একাউন্ট দিয়ে এডসেন্সের আবেদন করুন
যখন আপনি গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট এর জন্য আবেদন করবেন তখন একদম নতুন একটি গুগল একাউন্ট ব্যবহার করুন এবং তা অবশ্যই মোবাইল ভেরিফাইড করে নিবেন। গুগল এডসেন্স এর জন্য আলাদা ইমেইল ব্যবহার করা উচিত। এতে করে আপনার ইনবক্সে অনাকাঙ্ক্ষিত ইমেইল এর মাঝে গুগল এডসেন্স এর গুরুত্বপূর্ণ ইমেইল হারিয়ে যাবার সম্ভাবনা কম থাকে।গুগলের সার্ভিস গুলো ব্যবহার করুন
আপনার একাউন্টের জন্য এবং ওয়েবসাইট এর জন্য গুগলের সম্ভব সকল সার্ভিস ব্যবহার করুন। এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো গুগল প্লাস একাউন্ট কমপ্লিট করা। আপনি যে ইমেইল দিয়ে গুগল এডসেন্স আবেদন করবেন সেই ইমেইল এ আপনার গুগল প্লাস একাউন্ট এর প্রোফাইল ১০০% কমপ্লিট করার চেষ্টা করুন। এতে করে গুগলের কাছে আপনার পরিচয় বিশ্বাসযোগ্য হবে। এবং সেই সাথে গুগল অথর ভেরিফিকেশন করে ফেলুন আপনার ওয়েবসাইট এর। এছাড়া আপনার ওয়েবসাইট এ যোগ করুন গুগল ওয়েবমাস্টার টুলস, গুগল এনালাইটিক্স সার্ভিস। যেক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট ও অথোরিটি সাইট হিসাবে গণ্য হবে।১৫টির বেশি কনটেন্ট লিখুন
কনটেন্ট হলো একটি ওয়েবসাইট এর প্রাণ। সেই সাথে বিজ্ঞাপনদাতাদের আয়ের প্রধান উৎস। তাই যদি আপনাকে গুগল এডসেন্স এর একাউন্ট কোন ঝামেলা ছাড়া পেতে চান তাহলে অবশ্যই সর্বনিম্ন ১৫টি আর্টিকেল দিয়ে ওয়েবসাইট শুরু করতে হবে। এবং প্রতিটি কনটেন্ট মিনিমাম ৫০০ ওয়ার্ড হলে সবচেয়ে বেশি ভালো হয়।আগে আপনার ওয়েবসাইট সম্পূর্ণরূপে ইনডেক্স করুন গুগলে
এই অংশে আমারা অনেকেই ভুল করে থাকি। আমরা মনে করি প্রথম দিনেই ২০টা কনটেন্ট দিয়ে পরের দিনেই গুগলে আবেদন করি। যা সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ গুগলে আপনার ওয়েবসাইট যদি ইনডেক্স করা না থাকে তাহলে বিজ্ঞাপনদাতারা আপনার ওয়েবসাইট এ কখনই এড দিতে চাইবে না। আর যেখানে বিজ্ঞাপনদাতারা আগ্রহী না সেখানে গুগল আপনাকে এডসেন্স একাউন্ট দিতেও আগ্রহী হয়ে উঠবে না। তাই ১৫-৩০ দিন ধরে আপনি আপনার সকল কনটেন্ট পাবলিশ করুন, এরপর আরো ৭-১০ দিন সময় দিন সকল পেজ গুলো ইনডেক্স হতে, তারপর গুগলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করুন।ন্যূনতম ভিজিটর না পেলে আবেদন করবেন না
ট্রাফিক বা ভিজিটর হলো আয়ের প্রধান উৎস। যদি ভালো কনটেন্ট এ আপনার ওয়েবসাইট পরিপূর্ণ থাকে কিন্তু কোন ভিজিটর না থাকে তাহলে আপনার সেই কনটেন্ট এর কোন মূল্য নেই। ভিজিটর ছাড়া গুগল থেকে শুরু করে বিজ্ঞাপনদাতারা সবাই অনাগ্রহ প্রকাশ করবে আপনার ওয়েবসাইট এ বিজ্ঞাপন দিতে। তাই ন্যূনতম ২০ জন ভিজিটর প্রতিদিন ওয়েবসাইট এ ভিজিট করে এমন সময়ে গুগল এডসেন্স এর জন্য আপনি আবেদন করতে পারেন । সেই ভিজিটর যদি সার্চ ইঞ্জিন থেকে আসে তাহলে তো বড়ই ভালো, আর যদি সেই ভিজিটর সোশ্যাল, রেফারাল হয়েও আসে তাও সমস্যা হবে না। তবে খেয়াল রাখতে হবে ট্রাফিক এর কোয়ালিটির উপর।সঠিক ভাবে অনপেজ অপটিমাইজেশন করুন
সার্চ ইঞ্জিন গুলো সব সময় অনপেজ অপটিমাইজেশনকে পছন্দ করে। কারণ একটি ওয়েবসাইট সার্চ ইঞ্জিন বান্ধব হয় তখন যখন তাকে সঠিক ভাবে অনপেজ অপটিমাইজেশন করা হয়। তাই আপনাকে সদা চেস্টা রাখতে হবে আপনার ওয়েবসাইট এ যেন পূর্ণাঙ্গ অনপেজ অপটিমাইজেশন করা হয়।কিছু প্রয়োজনীয় পেজ তৈরি করা
গুগল এডসেন্স এর জন্য এই অংশটুকু অনেক গুরুত্বপূর্ণ। দ্রুত গুগল একাউন্ট পেতে হলে আপনাকে অবশ্যই Conact Us, About Us, Privacy and Policy, DMCA পেক তৈরি করতে হবে। কারণ আপনার ওয়েবসাইট যদি এই পেজ গুলো না থাকে তাহলে কেউ চাইলেইন আপনার সাথে সরাসরি যোগাযোগ বা আপনার সম্পর্কে জানতে পারবে না। আর যদি কোন ধরনের প্রাইভেস ও পলিসি না থাকে তাহলে যেকেউ আপনার ওয়েবসাইট এর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে পারবে। তাই আপনাকে গুগল এডসেন্স পেতে হলে অবশ্যই এই পেজ গুলো বানাতে হবে।এসইও এর ট্যাকনিকাল দিকগুলো বাদ দেয়া যাবে না
ওয়েবসাইট এর অথোরিটি আরো বেশি মজবুদ করতে তৈরি করুন sitemap.xml, robots.txt ফাইল। এই ফাইলগুলো আপনার ওয়েবসাইটকে দ্রুত ইনডেক্স এর সহায়তা করবে এবং সার্চ বটকে কন্ট্রোল করবে। এছাড়া ওয়েবসাইটকে যে যে স্থানে ইন্টার্নাল লিংকিং প্রয়োজন সেখানে ইন্টার্নাল লিংকিং করুন। পাশাপাশি কপিরাইট মুক্ত ইমেইজ ব্যবহার করুন এবং ওয়েবসাইট যথা সম্ভব পরিষ্কার রাখুন। মিনিমাল কালার ব্যবহার করা সবচেয়ে বুদ্ধিমানের কাজ গুগল এডসেন্স এর জন্য।বোনাস টিপসঃ বিজনেস নিশ নিয়ে ওয়েবসাইট বানান
যদি আপনি অতিদ্রুত এবং কোন ঝামেলা ছাড়াই গুগল এডসেন্স একাউন্ট পেতে চান তাহলে আপনি একটি ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট খুলে ফেলুন। কারণ আপনি হয়তো জানেন কীওয়ার্ড রিসার্চ এর মাধ্যমে আমারা লাভজনক কীওয়ার্ড খুঁজে থাকি। সেখানে আমাদের প্রধান লক্ষ্য থাকে যে কীওয়ার্ড এ বেশি CPC (Cost Per Click) থাকে সেই কীওয়ার্ডটি নিয়ে কাজ করা। একটু লক্ষ্য করলে দেখবেন যে সকল কীওয়ার্ড এর সাথে ব্যবসায়িক বিষয় জড়িতে আছে সে সকল কীওয়ার্ডের CPC অনেক বেশি হয়। যেমন “Free Mobile Phone Ringtone” কীওয়ার্ডে CPC থাকে $০.০১ থেকে সর্বোচ্চ $১.০০ কিন্তু “buy iphone 5 32 GB” কীওয়ার্ড এ CPC হয় $১.০০-১০ ডলার বা তার ও বেশি। এর কারণ হলো, ফ্রি রিংটোন কীওয়ার্ডের সাথে তেমন কোন ব্যবসায়িক সম্পর্ক নেই বিধায় সেখানে বিজ্ঞাপনদাতারা অনেক কম। কিন্তু buy iphone 5 এর সাথে খুব ভালো করে ব্যবসায়িক সম্পর্ক জড়িতে আছে। কারণ যারা এই কীওয়ার্ড লিখে সার্চ করে তাদের মধ্যে ৬০-৭০ ভাগ মানুষ আই ফোন কেনার জন্যই সার্চ করে। তাই সেখানে বিজ্ঞাপনদাতাদের প্রতিযোগিতাও অনেক বেশি। আর বেশি বিজ্ঞাপনদাতা থাকার কারণে যখন তারা দেখে নতুন কোন ওয়েবসাইট তাদের টার্গেটেড কীওয়ার্ড এ ওয়েবসাইট খুলেছে তারা তখন সেই ওয়েবসাইটও বিজ্ঞাপন দিতে বেশি আগ্রহ প্রকাশ করে। এই কারণেই যখন আপনি কোন বিজনেস রিলেটেড ওয়েবসাইট খুলবেন তখন দেখবেন খুব সহজেই এবং দ্রুতই আপনি এডসেন্স একাউন্ট পেয়ে গিয়েছেন। কারণ আপনি বিজ্ঞাপন দাতাদেরকে সুযোগ করে দিলেন তাদের পণ্যের মার্কেটিং করে দেয়ার জন্য।তো এই ছিলো আজকের গুগল এডসেন্স একাউন্ট কিভাবে পাবেন তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপস নিয়ে আমার ব্লগ টিউটোরিয়াল। আশা করি যারা অনেক চেষ্টা করেও এডসেন্স একাউন্ট পাচ্ছেন না তারা উপরের টিপস অনুসারে শুরু করে দিবেন নতুন ওয়েবসাইট এর কাজ। আশা করছি দ্রুতই আপনি এডসেন্স একাউন্ট পেয়ে যাবে।
একটি ডোমেইন / ৮০০টাকার বিনিময়ে নিজের নামে গুগল এডসেন্স একাউন্ট!
যাইহোক. আমি ব্লগার ভাইদের জন্য একটা সুখবর দিতে চাই, সেটা হলো আমি এখন থেকে গুগল এডসেন্সের একাউন্ট আপনাদের জন্য সরবরাহ করবো। মাত্র ৭০০+১০০=৮০০ টাকায় অথবা একটি ডোমেইনের বিপরীতে। (প্রকৃতপক্ষে ব্লগার ভাইদের উপকারের জন্য)
গুগল এডসেন্সের একাউন্ট নিজের নামে পেতে আপনার নাম, ঠিকানা, ফোন নম্বর, আমাকে দিবেন। যখনই দিবেন রাত ২-৩টার ভিতর একাউন্ট চালু হয়ে যাবে। এবং রাত ৩ টার সময় আপনার মেইলে পাসওয়ার্ড সহ একাউন্টের বিস্তারিত তথ্য পাঠানো হবে। অর্থ্যাৎ একদিনের ভিতর একাউন্ট পাবেন।
একাউন্ট পাবার পরবর্তী ২ দিনের ভিতর ৭০০+১০০=৮০০ টাকা ব্র্যাক ব্যাংক এর যেকোন শাখা থেকে আমার একাউন্টে প্রেরণ করতে হবে (কারন আমাকে তিনদিনের ভিতরে ডোমেইন প্রেরন করতে হবে)। যদি টাকা প্রেরনে ব্যর্থ হন, তবে একাউন্ট বাতিল হয়ে যাবে। বিস্তারিত জানতে ফোন করুন আমার নাম্বারে: ০১৮২৭-৭৪৩৬৬৬
গুগল এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
10 Important Things to Get Google Adsense Approval
আমরা
জানি গুগল এডসেন্স বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় একটি পি.পি.সি. এডভার্টাইজিং
প্রোগ্রাম কারণ তারা পাবলিশারদের সবচেয়ে বেশি পে করে থাকে। প্রায় সকল
ব্লগার এবং ওয়েবমাষ্টাররাই চায় গুগল এডসেন্স দিয়ে তাদের সাইট/ব্লগ
মনিটাইজেশন করার জন্য কিন্তু অনেকেই এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না
আবার অনেকে পেলেও কিছুদিনের মধ্যেই তাদের একাউন্ট ব্যান হয়ে যায়। বিশেষ করে
বাংলাদেশ থেকে অনেকেই বলে যে তারা এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পায় না।
কিন্তু
আপনি যদি এডসেন্স একাউন্ট এর আবেদন এর পূর্বে কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের
উপর নজর রাখেন তাহলে খুব সহজেই একাউন্ট এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন সাথে সাথে
আপনার একাউন্ট ব্যান হবারও কোন সম্ভাবনা থাকবে না।
চলুন দেখে নেওয়া যাক এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ১০টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
১. নিজস্ব এবং টপ লেভেল ডোমেইন নেম
এডসেন্স
এর অনুমোদন পাওয়ার জন্য ডোমেইন নাম অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। অনেক
নতুন ব্লগাররা দেখা যায় যে ব্লগস্পট, ওয়ার্ডপ্রেস, উইবলী ইত্যাদিতে
সাব-ডোমেইন দিয়ে একটি ব্লগ করে তার জন্য এডসেন্স এর অনুমোদন চায় কিন্তু
তারা পান না। তাই আপনাকে অবশ্যই একটি ডোমেইন এবং হোস্টিং কিনে ব্লগ/সাইট
বিল্ডাপ করে তারপর এডসেন্স এর জন্য আবেদন করতে হবে। আর টপ লেভেল ডোমেইন
বলতে মূলত .কম, .নেট, .ওআরজি কে বুঝায়। কিভাবে একটি ভালো, কার্যকরী এবং টপ
লেভেলের একটি ডোমেইন কিনবেন তা বিস্তারিত দেখুন এইখানে।
২. ডোমেইন এর বয়স
এডসেন্স
একাউন্ট পেতে ডোমেইন এর বয়স আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয়। সাধারণত বাংলাদেশ
থেকে এডসেন্স একাউন্ট এর অনুমোদন পেতে আপনার ডোমেইন এর বয়স কমপক্ষে ৩-৪ মাস
হতে হবে (৬ মাস হলে ভালো হয়)। ৩-৪ মাসের মধ্যে আপনি আপনার ব্লগ/সাইটে
ভালো কিছু কন্টেন্ট দিন আর সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনার জন্য ভালোভাবে
এস.ই.ও. এর কাজ করুন।
৩. ইউজার ফ্রেন্ডলী ব্লগ/সাইট ডিজাইন এবং নেভিগেশন
আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন অবশ্যই ইউজার ফ্রেন্ডলী হতে হবে। আপনাকে অবশ্যই গুগল এর ওয়েব ডিজাইন গাইডলাইন
অনুযায়ী আপনার ব্লগ/সাইট এর ডিজাইন করতে হবে। অন্যথায় আপনি এডসেন্স
একাউন্ট এর অনুমোদন পেলেও পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হবার সম্ভাবনা
থাকবে।
৪. কিছু গুরুত্বপূর্ণ পেজ তৈরী করুন
একটি
ব্লগ বা সাইটের জন্য কিছু পেজ (যেমনঃ প্রাইভেসি পলিসি পেজ, এবাউট পেজ,
কন্টাক্ট পেজ ইত্যাদি) অনেক গুরুত্ব বহন করে যা অনেক নতুন ব্লগাররাই তাদের
ব্লগ সাইটে পাবলিশ করতে ভুলে যান। এই পেজগুলো গুগল অনেক পছন্দ করে এবং
আপনার ব্লগকে আরো বেশী ইউজার ফ্রেন্ডলী করে তোলে।
৫. কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতন থাকুন
গুগল এডসেন্স পলিসি
অনুযায়ী আপনি আপনার সাইট/ব্লগে কোন কপিরাইটেড কন্টেন্ট, ইমেজ বা ভিডিও
পাবলিশ করতে পারবেন না। এতে করে আপনি এডসেন্স এর অনুমতি পাবেন না, আর যদিও
পান তাহলে পরবর্তীতে আপনার একাউন্ট ব্যান হয়ে যাবে। তাই ব্লগে কপিরাইটেড
কোন কিছু পোষ্ট করা থেকে বিরত থাকুন।
৬. পোষ্ট লিমিট
এডসেন্স
এ আবেদন করার পূর্বে আপনার ব্লগে কমপক্ষে ৪০-৫০টি পোষ্ট থাকলে খুব সহজেই
আপনি এডসেন্স এর অ্যাপ্রুভাল পেয়ে যাবেন। মনে রাখবেন পোষ্টগুলো যাতে
কমপক্ষে ৫০০-৬০০ ওয়ার্ড এর মধ্যে হয় এবং কিছু পোষ্ট যাতে ১০০০-১৫০০ ওয়ার্ড
এর মধ্যে হয়।
৭. নাম, ইমেল এবং বয়স এর ভেরিফিকেশন
অনেকেই
নাম এবং ইমেল ভেরিফিকেশন কে গুরুত্ব দেয় না, কিন্তু এটাও এডসেন্স এর
অনুমোদন পাওয়ার জন্য একটি ফ্যাক্টর। আপনার ব্লগের এবাউট এবং কন্টাক্ট পেজ এ
অবশ্যই আপনার আসল নাম আর ইমেইল আইডি দিবেন।
এডসেন্স এর অনুমোদন পেতে আপনার বয়স অবশ্যই কমপক্ষে ১৮+ হতে হবে।
৮. সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর আনুন
এডসেন্স
থেকে ভালো পরিমান উপার্জন করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে অবশ্যই ভালো পরিমান
ভিজিটর আপনার ব্লগে আসতে হবে। প্রতিদিন কমপক্ষে ২০০-৩০০ ভিজিটর হলে খুব
সহজেই এডসেন্স এর অনুমোদন পেয়ে যাবেন।
৯. অন্যান্য এড নেটওয়ার্ক অপসারণ করুন
আপনি
যদি বর্তমানে ব্লগে অন্য কোন এড নেটওয়ার্ক (যেমনঃ ইনফোলিঙ্কস, চিঠিকা
ইত্যাদি) ব্যবহার করে থাকেন তাহলে এডসেন্স এর জন্য আবেদন করার পূর্বে
অবশ্যই ঐ এড নেটওয়ার্কগুলো ব্লগ থেকে অপসারণ করতে হবে।
১০. পেইড ট্রাফিক
এডসেন্স
এর পলিসি অনুযায়ী আপনার ব্লগের জন্য পেইড ট্রাফিক ব্যবহার করতে পারবেন না।
যদি ব্যবহার করে তাহলে এডসেন্স অ্যাপ্রুভাল পাবেন না।
ব্লগস্পট সম্পর্কে তথ্যবহুল পোস্টের জন্য লেখক/এডমিনকে ধন্যবাদ। এখন বাংলা ব্লগস্পট সাইটে এডসেন্স এর এড খুব সহজেই দেখাতে পারেন। এজন্য ২০ টি সুন্দর পোস্ট, গুগোলের গাইডলাইন ভঙ্গ না করা এবং সাইটের বয়স ৬ মাস হলে কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে এডসেন্স এর এড দেখাতে পারেন।
উত্তরমুছুন